নিজস্ব প্রতিবেদক:
সরকারি অনুমোদন সাপেক্ষে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (এমপিওভুক্ত) শিক্ষক ও কর্মচারীদের বাড়ি ভাড়া ভাতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বিদ্যমান বাজেটের সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় নিয়ে ধাপে ধাপে এই ভাতা বৃদ্ধি কার্যকর করা হবে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ (প্রশা-৭ শাখা) থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ২০২০ সালের ১ নভেম্বর থেকে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা তাদের মূল বেতনের ৭.৫ শতাংশ হারে (সর্বনিম্ন ২,০০০ টাকা) বাড়ি ভাড়া ভাতা পাবেন। পরবর্তী ধাপে, ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে এই হার বাড়িয়ে মূল বেতনের ১৫ শতাংশ (সর্বনিম্ন ২,০০০ টাকা) নির্ধারণ করা হবে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিদ্যমান নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে এবং সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সমতা রক্ষায় নির্দিষ্ট শর্তসমূহ কঠোরভাবে মানতে হবে। বাড়ি ভাতা বৃদ্ধির এ সুবিধা শুধু এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের জন্য প্রযোজ্য হবে।
এছাড়া উল্লেখ করা হয়েছে—
- পূর্বের নীতিমালা অনুযায়ী যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী ইতোমধ্যে সুবিধা ভোগ করছেন, তাদের ক্ষেত্রে নতুন হার প্রযোজ্য হবে।
- কোনো শিক্ষক বা কর্মচারী একাধিক উৎস থেকে একই ধরনের ভাতা পেলে তা বাতিল বলে গণ্য হবে।
- শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তরসমূহকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এই প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেছেন অর্থ বিভাগের উপসচিব মো. শহিদুল ইসলাম। প্রজ্ঞাপনটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য।
সরকারের এই সিদ্ধান্তে দীর্ঘদিন ধরে বাড়ি ভাতা বৃদ্ধির দাবি জানানো এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তাদের মতে, এটি শিক্ষা খাতে কর্মরতদের আর্থিক নিরাপত্তা ও মর্যাদা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
সূত্র: অর্থ বিভাগ, অর্থ মন্ত্রণালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।