পরিকল্পনা উপদেষ্টা জানিয়েছেন, সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে আগামীতে সব ধরনের টেন্ডার প্রক্রিয়া অনলাইনের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে। এর ফলে অনিয়ম, দুর্নীতি ও সিন্ডিকেট কার্যক্রম বন্ধ হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল পদ্ধতিতে টেন্ডার আহ্বান ও মূল্যায়ন করলে একদিকে যেমন সময় সাশ্রয় হবে, অন্যদিকে প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র জমা দেওয়ার সুযোগ বাড়বে। এতে প্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন সম্ভব হবে এবং জনস্বার্থে ব্যয় করা অর্থের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত হবে।
পরিকল্পনা উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, অনলাইন টেন্ডারিং ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে পরিচালিত হবে, যেখানে দরপত্র জমা দেওয়া থেকে শুরু করে মূল্যায়ন পর্যন্ত সবকিছু স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংরক্ষিত থাকবে। এতে স্বজনপ্রীতি, ঘুষ বা চাপ প্রয়োগের সুযোগ কমে আসবে।
তিনি বিশ্বাস করেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকারী উন্নয়ন প্রকল্পে আস্থা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে।