যে গ্রামে মহিলাদের লজ্জাস্থান ঢাকতে মানা ! জানুন বিস্তারিত…

Loading...

ব্লাউজের মহিমা অপার। শাড়ির সৌন্দর্য্যকে আরও বাড়িয়ে তুলতে এর জুড়ি নেই৷ শাড়ি যতই সিম্পল হোক না কেন, হালফিলে ব্লাউজকে আরও জাঁকজমক করতে বুটিকের বাইরে পড়ে লম্বা লাইন৷কিন্তু এমনও জায়গা রয়েছে যেখানে মহিলারা ব্লাউজের ধার ধারেন না৷ তাও আবার বছরের পর বছর৷ কিন্তু এমনটাই চলে আসছে সেখানে৷

ভারতের ছত্তিশগড়ের আদিবাসী এলাকায় কর্মরত মহিলারা শাড়ির সহ্গে ব্লাউজ পরে না বলেই শোনা যায়৷ এই পরম্পরা অনুযায়ী মহিলারা ব্লাউজ পরার অনুমতি পাননা৷

তাঁরা নিজেরাও পরেন না, গ্রামের অন্য কোনও মহিলাকেও পরতে দেন না৷ কিন্তু পরিবরত্ন তো আসেই৷ আর সেই নিয়ম ধরেই একদল মেয়ে নাকি ব্লাউজ পরা শুরু করেছে৷ আর তাতেই গ্রামের পরম্পরাকে অসম্মানের অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে৷

আজও এই পরম্পরাকে অনেকেই ধরে রাখতে চান৷ প্রায় এক হাজার পুরনো এই রীতিকে সম্মান জানাতেই অভ্যস্ত গ্রামের প্রবীণারা৷ অনেকের মতে, ব্লাউজ না পরার ফলে কাজের সময়ও বেশ সুবিধা হয়৷ ক্বিশেষ করে ক্ষেতে কাজ করতে গিয়ে সুবিধাটা টের পান এই মহিলারা৷

আবার গরমের সময়েও এই ব্লাউজ না পরার ফলে কিছুটা স্বস্তি পাওয়া যায়৷ ইদানিং শহরেও ব্লাউজ ছাড়া শাড়ি পরে ফটোশ্যুট বলুন বা মডেলিং, চল চোখে পড়ছে হামেশাই৷ আর এই স্টাইল প্রশংসিতও হচ্ছে৷ তাই সবদিক দিয়েই যেখানে সুবিধা তখন কেনইবা এই মহিলারা ব্লাউজের দিকে যাবেন।