লিঙ্গের মাথায় কি মাখলে সারা রাত সহবাস করা যায় ||

Loading...

লিঙ্গের মাথায় কি মাখলে সারা রাত সহবাস করা যায় ||

বি: দ্র : ই্উটিউব থেকে প্রকাশিত সকল ভিডিওর দায় সম্পুর্ন ই্উটিউব চ্যানেল এর ।

এর সাথে আমরা কোন ভাবে সংশ্লিষ্ট নয় এবং আমাদের পেইজ কোন প্রকার দায় নিবেনা।
ভিডিওটির উপর কারও আপত্তি থাকলে তা অপসারন করা হবে। প্রতিদিন ঘটে যাওয়া নানা রকম ঘটনা আপনাদের মাঝে তুলে ধরা এবং সামাজিক সচেতনতা আমাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য ।

দেখুন তার পর মন্তব্য করুন পরবর্তী আপডেট পেতে পেইজ এ লাইক, কমেন্ট এবং শেয়ার করে আমাদের সাথেই থাকবেন।

সাবধান! এই ৮ প্রকার মহিলার সঙ্গে ভুলেও শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হবেন না

এই ৮ প্রকার মহিলার সঙ্গে – পুরুষদেরও কিছু বিষয়ে নির্দেশ। নারীর সঙ্গে মেলামেশার ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় থেকে পুরুষকে বিরত থাকতে বলেছে বিভিন্ন প্রাচীন শাস্ত্রে। বিশেষ কিছু মহিলার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে পুরুষের লিপ্ত হওয়ার বিষয়টিকে ‘মহাপাপ’ বলে মনে করছে শাস্ত্র। এই মহাপাপ যদি করেন কোনও পুরুষ, তা হলে তার পরিণতি হতে পারে ভয়াবহ। শারীরিক ঘনিষ্ঠতার ক্ষেত্রে কোন ধরনের মহিলাদের এড়িয়ে চলতে বলছে শাস্ত্র?

আসুন, জেনে নেওয়া যাক—

১. অবিবাহিত মহিলা: বলপূর্বক হোক, কিংবা সংশ্লিষ্ট

নারীর সম্মতি সহকারে, কোনও অবিবাহিত মহিলার সঙ্গেই সঙ্গম উচিত নয় বলে মনে করছে শাস্ত্র।

২. বিধবা: কোনও বিধবার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ককে পাপ বলে উল্লেখ করছে শাস্ত্র। এই ধরণের পাপের পরিণতি হতে পারে ভয়াবহ।

৩. বন্ধুর স্ত্রী: কোনও বন্ধুর স্ত্রীর সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ফলে নারী ও পুরুষ— দু’জনেই মহাপাপে নিমজ্জিত হয়। নিয়তির হাতে এর জন্য কঠিন শাস্তি ভোগ করতে হয় দু’জনকেই।

৪. শত্রুর স্ত্রী: শাস্ত্রে, এমনকী, শত্রুর স্ত্রীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কেও নিষেধ স্থাপন করা হচ্ছে। শত্রুর স্ত্রীর সঙ্গে যৌন সম্পর্কেও মহাপাপ হয় বলে মনে করছে শাস্ত্র।

৫. শিষ্যের স্ত্রী: শাস্ত্রের মতে, কোনও শিষ্য অথবা ছাত্রের স্ত্রীর সঙ্গে কখনওই কোনও পুরুষের যৌন সম্পর্কে লিপ্ত উচিত নয়।

৬. পরিবারের অন্তর্ভুক্ত কোনও নারী: সরাসরি রক্তের সম্পর্ক রয়েছে, এমন মহিলার সঙ্গে পুরুষদের শারীরিক সম্পর্কে কড়া নিষেধ স্থাপন করেছে প্রাচীন হিন্দু শাস্ত্র।

৭. বয়সে বড় কোনও মহিলা: নিজের চেয়ে বেশি বয়সি কোনও মহিলার সঙ্গে কোনও পুরুষের শারীরিক সম্পর্ক না হওয়াই উচিত বলে মনে করেছে প্রাচীন শাস্ত্রসমূহ।

৮. যৌনকর্মী: অর্থের জন্য নিজের শরীর বিক্রি করছেন যে মহিলা, তাঁর সঙ্গে দৈহিক সম্পর্ক সম্পূর্ণ অনুচিত বলেই মনে করেছে প্রাচীন শাস্ত্র।

অন্যরা যা পড়ছে …

কী আছে থানকুনি পাতার রসে?

থানকুনি পাতার ব্যবহার আদি কাল থেকেই চলে আসছে। এটি দেখতে ছোট্ট ও গোলাকৃতি। পাতার মধ্যে রয়েছে ওষুধি সবগুণ। থানকুনি পাতার রস রোগ নিরাময়ে অতুলনীয়। থানকুনি আমাদের দেশে খুব পরিচিত একটি ভেষজ গুণসম্পন্ন উদ্ভিদ। এর ল্যাটিন নাম ‘Centella Aciatica’। থানকুনি পাতা দেশের সর্বত্র পাওয়া যায়। চিকিৎসায় থানকুনি পাতার অবদান অপরিসীম। প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে বহু রোগের উপশম হয় এর ভেষজ গুণ থেকে। খাদ্য উপায়ে এর সরাসরি গ্রহণ রোগ নিরাময়ে থানকুনি যথার্থ ভূমিকা রাখতে সক্ষম।

অঞ্চলভেদে থানকুনি পাতাকে আদামনি, তিতুরা, টেয়া, মানকি, থানকুনি, আদাগুনগুনি, ঢোলামানি, থুলকুড়ি, মানামানি, ধূলাবেগুন, নামে ডাকা হয়। তবে বর্তমানে থানকুনি বললে সবাই চেনে।

ভেষজের দুনিয়াতে থানকুনির স্থান রয়েছে অনেক উপরে। কারণ এর রয়েছে নানান গুণ। থানকুনি বর্ষজীবী উদ্ভিদ। কোনো প্রকার যত্ন ছাড়াই জন্মে। মাটির উপর লতার মতো বেয়ে ওঠে। পাতা গোলাকার ও খাঁজকাটা। সাধারণত স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশেই থানকুনি গাছ বেশি জন্মে। তাই পুকুরপাড় বা জলাশয়ের পাশে থানকুনির দেখা মেলে বেশি।

থানকুনির ভেষজ গুণাবলি ছাড়াও অনেকে সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য এটি রোপণ করে, তাছাড়া থানকুনি দিয়ে অনেক সুস্বাদু এবং স্বাস্থ্য সম্মত খাবার তৈরি করা যায়। থানকুনির নানা ভেষজ গুণ রয়েছে। আমাদের দেশের অনেকে থানকুনি পাতার ভর্তা ও খায়।

আসুন জেনে নেই থানকুনি পাতার গুণাবলি:

১। লাবণ্যতা : যদি মুখ মলিন হয়, লাবণ্যতা কমে যায় তবে ৫-৬ চা চামচ থানকুনি পাতার রস দুধ দিয়ে খেতে হবে। নিয়মিত করলে উপকার পাবেন।

২। দূষিত ক্ষত : মূলসহ সমগ্র গাছ নিয়ে সিদ্ধ করে সেই পানি দিয়ে দূষিত ক্ষত ধুতে হবে। জ্বর ও আমাশয় : আমাশয়ের সঙ্গে জ্বর হলে থানকুনি পাতার রস গরম করে ছেঁকে খাওয়াতে হবে।

৩। মুখে ঘা : থানকুনি পাতা সিদ্ধ পানি দিয়ে গারগিল করতে হবে।

৪। আঘাত : কোথাও থেঁতলে গেলে থানকুনি গাছ বেটে অল্প গরম করে আঘাতপ্রাপ্ত স্থানে প্রলেপ দিলে উপকার পাবেন।

৫। সাধারণ ক্ষত : থানকুনি পাতা বেটে ঘিয়ের সঙ্গে জ্বাল দিয়ে ঠাণ্ডা করে তা ক্ষত স্থানে লাগাতে হবে।

৬। নাক বন্ধ : ঠাণ্ডায় নাক বন্ধ হলে, সর্দি হলে থানকুনির শিকড় ও ডাঁটার মিহি গুঁড়ার নস্যি নিলে উপকার পাওয়া যায়।

৭। বাক স্টম্ফুরণ : বাচ্চার দেরিতে কথা বললে অথবা পরিষ্কার কথা না বললে এক চামচ থানকুনি পাতার রস গরম করে ঠাণ্ডা হলে ২০-২৫ ফোঁটা মধু, ঠাণ্ডা দুধ এক সঙ্গে মিশিয়ে বাচ্চাকে খাওয়াতে হবে।

৮। স্মরণশক্তি : মনে না থাকলে আধা কাপ দুধ, ২-৩ তোলা থানকুনি পাতার রস ও এক চা চামচ মধু মিশিয়ে খেতে হবে।

৯। চুল পড়া : অপুষ্টির অভাবে, ভিটামিনের অভাবে চুল পড়লে পুষ্টিকর ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবারের পাশাপাশি ৫-৬ চা চামচ থানকুনি পাতার রস দুধের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে হবে।

১০। পেটের দোষ : মলের সঙ্গে শ্লেষ্ণা গেলে, মল পরিষ্কারভাবে না হলে, পেটে গ্যাস হলে, কোনো কোনো সময় মাথা ধরা এসব ক্ষেত্রে ৩-৪ চা চামচ থানকুনি পাতার গরম রস ও সমপরিমাণ গরুর কাঁচা দুধ মিশিয়ে খেতে হবে। নিয়মিত খেলে উপকার পাবেন।