মহিলা কর্মচারীর স্তন জাপটে ধরলে চাকরি যাবে না …. [ভিডিও]

Loading...

জার্মানির এক আদালত সম্প্রতি রায় দিয়েছে, কর্মক্ষেত্রে কোনও মহিলা কর্মচারীর স্তন যদি কোনও পুরুষ কর্মী জাপটে ধরেন, তাহলে তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা যায় না।

জার্মানির এক গ্যারেজের মিস্ত্রি, সেখানকারই এক সাফাইকর্মীর স্তন জাপটে ধরেন। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর, সেই মেকানিকের চাকরি চলে যায়। আদালতের এই রায়ের পর ৩৭ বছর বয়সি সেই মিস্ত্রিকে ফের কাজে পুর্নবহাল করতে হবে গ্যারেজ মালিককে।

২০১৫ সালে ক্ষণিকের পাগলামির জন্যে, সেই মিস্ত্রি ২৬বছর বয়সি এক মহিলা সাফাইকর্মীর স্তন জাপটে ধরেন। পরে তাঁর কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়ে, জরিমানা বাবদ তাঁকে টাকাও দেন সেই মিস্ত্রি। কিন্তু অবশেষে তাঁকে চাকরি খোয়াতে হয়।

বিচারক আজ তাঁর রায় বলেছেন, এক্ষেত্রে পরিস্থিতি বিচার করে তবেই, একজনকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা উচিত্। তবে এই রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে গ্যারেজ মালিক বলেছেন, তাঁরা এই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ফের লেইপজিগের এক শ্রমিক আদালতে মামলা দায়ের করবেন।

কম বয়সী নারীদের কেন বিয়ে করতে চায় পুরুষেরা, না জানলে জেনে নিন

পুরুষেরা কেন তাদের চেয়ে কম বয়সী মেয়েদের সাথেই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় তা কি আমরা ভেবে দেখেছি?

চলুন খুঁজে বের করি কারনগুলো-
১। আধিপত্য-
সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, পুরুষেরা সর্বত্র আধিপত্য বিস্তারে অভ্যস্ত। আর তাদের এই আধিপত্য বিস্তারের যে চর্চা তার বৃত্ত থেকে তাদের পরিবার এবং পরিবারের সদস্যরাও বাদ যান না।

আর আমাদের পুরুষ শাসিত সমাজে স্ত্রীদের উপর স্বামীদের আধিপত্য বিস্তার অত্যন্ত স্বাভাবিক একটি ঘটনা। তাই, অল্প বয়সী মেয়েদের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতেই তারা বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে।

২। অস্বস্তিবোধ-
বিস্ময়কর হলেও সত্যি, পুরুষেরা তার সমবয়সী মেয়েদের সাথে সম্পর্ক স্থাপনে অস্বস্তিবোধ করে। পুরুষের সমযোগ্যতা সম্পন্ন নারীদের নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব না- এই ধারণাই পুরুষকে তার চেয়ে অনেক কম বয়সী নারীকে বিয়ে করতে উদ্বুদ্ধ করে।

৩। কুঁড়িতেই বুড়ি-
আমাদের দেশে পুরুষেদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক সচ্ছলতা লাভ করতে করতে বয়স প্রায় ৩০ এর কোঠায় গিয়ে পৌঁছে। আর আমাদের সমাজের প্রচলিত ধারণা যে, মেয়েরা কুঁড়িতেই বুড়ি হয়ে যায়। তাই, স্বাভাবিকভাবেই স্বামী ও স্ত্রীর বয়সের ব্যবধান আমাদের সমাজে অনেক বেশি।

৪। ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা-
পুরুষদের একটি বদ্ধমূল ধারণা যে, তারা যখন বৃদ্ধ হয়ে যাবে তখন তাদের পরিচর্যা করবার মত কেউ থাকবে না। এমনকি সন্তানেরাও তাদের পরিচর্যা করতে অস্বীকৃতি জানাতে পারে। তাই, কম বয়সী স্ত্রীই এই সমস্যার সমাধান। তাদের ধারণা স্ত্রী রা তাদের যথাযথ পরিচর্যা করতে কখনই অস্বীকৃতি জানাবে না।

৫। দীর্ঘ ও সুখের যৌন জীবন-
সাধারণত ৪০ এর পরেই অধিকাংশ নারীদের যৌন আবেদন ধীরে ধীরে স্তিমিত হতে থাকে। কিন্তু পুরুষদের যৌনাকাঙ্ক্ষা আরও দীর্ঘ সময় বজায় থাকে। তাই, সমবয়সী নারীদের বিবাহে অনেক পুরুষদেরই অনীহা রয়েছে। তাদের ধারণা অল্প বয়সী মেয়েদের বিয়ে করলে তারা দীর্ঘ ও সুখের যৌন জীবন লাভ করতে পারবে।